সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অদৃশ্য হওয়ার মন্ত্র। এই মন্ত্রের দ্বারা আপনারা অদৃশ্য হতে পারবেন।

মন্ত্রঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আলি বা তা ছা-
ইয়া ফা ওয়া হা;
ক্বাফ আলিফের হরফন-
জ্বীন সূরার বাদশা।
দোহাই কামাখ্যা মা;
কেউ যেনো না দেখে মোরে-
দেখলে মা পদ্মা হবে"
রাবণের মহা স্বচ্ছর.!
ডানে থাক ইসরাফিল-
বামে থাক মনাইসা মা"
শরীর এক্ষণি গায়েব হয়ে যা.!
বাক্যের দাপটে বাক্য লড়ে;
বাক্য যদি লড়ে চড়ে-
দোহায় মা পদ্মার মাথা জটা;
কার্তিকের পায়ে পড়ে।
নিয়মঃ মন্ত্র ১২০০ বার পাঠ করে সিদ্ধি করে নিতে হবে। তারপর ১০৮ বার পাঠ করে প্রয়োগ করতে হবে।
নোটঃ আমার কাছে অনুমতি নিয়ে কাজ করতে হবে। অন্যথায় বিপদের সম্মুক্ষিন হতে হবে।
মোবাঃ ০১৭৯৫৮৫০৭০০

মন্তব্যসমূহ

  1. এই সার্ভিসটা যদি ভালো না দিতে পারে তাহলে আমাদের সার্ভিসটা নিতে পারেন 100% সফলতা অর্জন হতে পারে না।
    panchotantrermontro.blogspot.com

    উত্তরমুছুন
  2. তন্ত্র মন্ত্র বিষয়ক অনেক তথ্য সংগ্রহ করতে চাইলে নিচের লিংকে প্রবেশ করুন ও এই সব বিষয়ে সঠিক নিয়ম কানুন গুলি জানুুন্
    www.lojjatunnesa.com

    উত্তরমুছুন
  3. শক্তিশালী এবং গ্যারান্টি কাজ হবে এরকম সোলেমানী কিতাবের নকশা পেতে এবং ফ্রীতেই যে কাজ করতে ভিজিট করুন আমাদের সাইটে।
    https://wwwsolamanikitab.blogspot.com

    উত্তরমুছুন
  4. কিডনি রোগের লক্ষণগুলো কি কি।কিডনি রোগ কেন হয়।এর থেকে মুক্তির উপায় কি।এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ
    http://bitly.ws/vXm7

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মেয়ে বশ করা মন্ত্র।

এই মন্ত্র আজ পর্যন্ত বিফলে যায়নি। ১০০% কাজ হবে গ্যারান্টি। মন্ত্রঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। চন্দ্র বান্ধি সূর্য বান্ধি" বান্ধি অমুকের মন- মনের উপর দিলাম আমি; মীম হরফের অরপন। ইয়া লাম মারলাম ছুরে- নূনে দিলাম কষ" ইয়া ক্বাফ হরফের চোটে- অমুক হয় আমার বশ। তা শিন ওয়া হার" সঙ্গে দিলাম আলিফ বা- মীম হরফ দমের সাথে- আমার দেওয়ানা হয়ে যা। দোহাই লাগে আলী- মা ফাতেমার নিবেস" অমুক আমার হবে বশ- মোস্তফা নবীর আদেশ। বাক্যের দাপটে বাক্য নড়ে" বাক্য যদি লড়ে চড়ে- আল্লাহর বাক্যের কুরআন; সাত জাহান্নামের আগুনে পোড়ে। নিয়মঃ মন্ত্র ৭৮৬ বার পাঠ করে সিদ্ধি করতে হবে। তারপর যে মেয়েকে বশ করতে চান তার দিক হয়ে মন্ত্র ৩০১ বার পাঠ করতে হবে। মোবাঃ   01795850700

বান মারা মন্ত্র।

যদি কেউ শত্রুর কারণে অধর্য্য হয়ে পড়েন। অথবা নিজের বাঁচা মুসকিল হয়ে পড়ে এমন্ত অবস্থায় এই বিদ্যা অত্যান্ত ফলপ্রদ। মন্ত্রঃ “ওঁ নমো হাথ ফাউড়ী কাঁধে মারা, ভ্যায়রু বীর মশানে খড়া। লোহে কী ধনী বজ্র কা বান, বেগলা মারে তো দেবী কালকা কী আল। গুরু কী শক্তি মেরী ভক্তি, ফুরো মন্ত্র ঈশ্বরী বাচা, সত্যনাম আদেশ গুরু কা।।” বিধিঃ তান্ত্রিক উপাচারে গ্রহন বা দীপান্বিতা আমাবস্যার দিন উপরোক্ত মন্ত্র দশ হাজার বার জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধি হয়। এরপর, দীপান্বিতা রাত্রিতে চৌকী পেতে প্রদীপ জ্বালাবে, গুগুলের ধুনা দেবে, পরে কিছু মাষকালাই নিয়ে উক্ত মন্ত্রে 108 বার অভিমন্ত্রিত করে ১০৮ বার প্রদীপের শিখায় ছুড়ে ছুড়ে মারবে। প্রথমে ১০৮ বার মারবে পরে আবার ১২ বার মারবে পরে একটি কাল কুকুরের রক্তে মাষকালাই ছড়িয়ে ছাইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে রাখবে। তা থেকে তিনটি মাষকালাই নিয়ে তার উপর মন্ত্র পড়ে শত্রুর দেহে নিক্ষেপ করলে সেই ব্যক্তির মৃত্যু অনিবার্য। নোটঃ অন্যায় ভাবে মন্ত্র প্রয়োগ নিশেধ। তৈরালক্ষী তান্ত্রিক মৌসুম। মোবাঃ 01795850700

প্রেমে পাগল করে কাছে আনার তদবীর ।

যদি কোন ব্যক্তি কোন মেয়েকে নিজের প্রেমে আকৃষ্ট করে তার নিকট হাজির করতে চায় । তাহলে নিম্নের মন্ত্র নিয়মমত পাঠ করলে উক্ত মেয়েকে নিজের নিকটে আনা সম্ভব । উক্ত নারীর মন যতই শক্ত হোকনা কেনো মোমের মত গলে যাবে। মন্ত্রঃহাফেজু মালাকুত জাবরুত নাছতের টান, অমুকের পাঁচ পড়ান পাঁচ আত্মা ভাঙ্গিয়া আমার কাছে আন । দোহাই আল্লাহর কোরআনের, দোহায় মা কামরুপ কামাক্ষার মাথা খাস । নিয়মঃ  ২১ দিনের জন্য একটি নিরব স্থান বেছে নিতে হবে । অতঃপর ঐ স্থানে বসে নিম্নের মন্ত্র একি সময়ে প্রতিদিন ১০০০/- বার করে পাঠ করতে হবে । মন্ত্র পাঠ করার সময় কারো সাথে কোন কথা বলতে পারবেনা । ২১ দিন পর্যন্ত মাছ, মাংশ, ডিম, দুধ, ইত্যাদি খেতে পারবে না । শুধু নিয়ামিশ, খেতে হবে । শর্ত সাপেক্ষে আমল করলে ফলাফল অনিবার্য । প্রেমার স্থানে উক্ত মেয়ের নাম বলতে হবে । তৈরালক্ষী তান্ত্রিক মৌসুম। মোবাঃ 01795850700